১৪ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ || ৩১শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ


শিরোনাম :
  নন্দীগ্রামে সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়       মির্জাপু‌রে ম‌হিলা মেম্বার এর বা‌ড়ির সীমানা নি‌য়ে দন্দ গা‌ছের আম পে‌রে নি‌য়ে‌ছে প্রতিপক্ষ       ধামরাই‌য়ে যাদবপু‌রে বি‌জি এফ ও জি আর এর নগদ অর্থ বিতরন কর‌লেন চেয়ারম‌্যান আইয়ুব আলী এছাক       ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ধামরাইয়ের ১১নং ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোরসালিন সরদার       শরীয়তপুর ডিঙ্গামানিক ইউনিয়ন এর সকল মসজিদের ইমান সাহেবদের ঈদ সামগ্রী বিতরন করেন আলাহাজ্ব আঃ আজিজ সরদার       পাবনায় এতিম ও দরিদ্রদের ইফতার খাওয়ালো খন্দকার আরজু       নন্দীগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত       নন্দীগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত       কালিয়াকৈরে হতদরিদ্রদের মাঝে ‘মৌচাক ব্লাড ডোনার ক্লাব’ এর ইফতার বিতরন       ফ্রেন্ডস্ ব্লাড ডোনার ক্লাবের উদ্দ্যগে দ্বীতিয় ধাপে সেমাই চিনি বিতরণ।    


রাসমেলায় যেতে বন বিভাগের পাঁচটি নিরাপদ রুট  নির্বাচন

এসইটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রতি বছরের মতো এবারও রাস পূর্ণিমা উপলক্ষে আগামী ২৮ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী সুন্দরবনের দুবলারচরে ঐতিহ্যবাহী ‘রাস পূর্ণিমা পুণ্যস্নান’ অনুষ্ঠিত হবে। পুণ্যস্নানে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য দর্শনার্থী ও তীর্থযাত্রীদের জন্য সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ পাঁচটি পথ নির্ধারণ করেছে। এ সকল পথে তীর্থযাত্রী ও দর্শনার্থীদের জানমালের নিরাপত্তায় বন বিভাগ, পুলিশ, বিজিবি ও কোস্টগার্ড বাহিনীর টহল দল নিয়োজিত থাকবে।

অনুমোদিত পাঁচটি রুট হলো: বুড়িগোয়ালিনী, কোবাদক থেকে বাটুলানদী-বলনদী-পাটকোষ্টা খাল হয়ে হংসরাজ নদী হয়ে দুবলারচর। কয়রা, কাশিয়াবাদ, খাসিটানা, বজবজা হয়ে আড়ুয়া শিবসা-শিবসা নদী-মরজাত হয়ে দুবলার চর। নলিয়ান স্টেশন হয়ে শিবসা-মরজাত নদী হয়ে দুবলার চর। ঢাংমারী অথবা চাঁদপাই স্টেশন-তিনকোনা দ্বীপ হয়ে দুবলার চর এবং বগী-বলেশ্বর-সুপতি স্টেশন-কচিখালী-শেলার চর হয়ে দুবলার চর।

 

পূর্ণিমা পুণ্যস্নানে কেবল তিন দিনের জন্য সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অনুমতি দেওয়া হবে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং মাস্কবিহীন কোন তীর্থযাত্রীকে পূণ্যস্নানস্থলে যেতে দেওয়া হবে না। অনুষ্ঠান স্থলে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী হ্যান্ডস্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াস রাখা হবে।

দর্শনার্থী ও তীর্থযাত্রীদের আগামী ২৮ থেকে ৩০ নভেম্বর এ তিন দিনের জন্য অনুমতি প্রদান করা হবে এবং প্রবেশের সময় এন্ট্রি পথে নির্দিষ্ট ফি প্রদান করতে হবে। যাত্রীরা নির্ধারিত রুটের পছন্দমতো একটি মাত্র পথ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন এবং দিনের বেলায় চলাচল করতে পারবেন। বনবিভাগের চেকিং পয়েন্ট ছাড়া অন্য কোথাও নৌকা, লঞ্চ বা ট্রলার থামানো যাবে না। প্রতিটি ট্রলারের গায়ে রং দিয়ে বিএলসি অথবা সিরিয়াল নম্বর লিখতে হবে। রাস পূর্ণিমায় আগত পুণ্যার্থীদের সুন্দরবনে প্রবেশের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট হতে প্রাপ্ত সনদপত্র সাথে রাখতে হবে। পরিবেশ দূষণ করে এমন বস্তু, শব্দযন্ত্র বাজানো, পটকা ও বাজি ফোটানো, বিস্ফোরক দ্রব্য, দেশীয় যে কোন অস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র, হরিন মারার ফাঁদ, কুড়াল, দড়ি বহন করা থেকে যাত্রীদের বিরত থাকতে হবে। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে অবস্থানকালীন সবসময় টোকেন ও টিকেট নিজের সঙ্গে রাখতে হবে। প্রতিটি লঞ্চ, নৌকা ও ট্রলার-কে মেলা প্রাঙ্গণে কন্ট্রোলরুমে আবশ্যিকভাবে রিপোর্ট করতে হবে।

 

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ সকল তথ্য জানিয়েছেন।

এসইটিভি নিউজ /আর.কে রকি


Top