২৮শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ || ১২ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ


শিরোনাম :
  দুপচাঁচিয়াতে বঙ্গবন্ধু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙ্গচুরের প্রতিবাদে উপজেলা যুবলীগের মানববন্ধন       নন্দীগ্রাম থানার অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার-১       নৌকার মনোয়নপত্র পাওয়ায় মোটরসাইকেল শোডাউন ও আনন্দ মিছিল       নওগাঁর মান্দায় নৌকার মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ       আদমদীঘিতে ওষুধের ফার্মেসিতে চাঁদা চাইতে গিয়ে ভুয়া ডিবি পুলিশ গ্রেফতার       নন্দীগ্রামে গলায় দড়ি দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা       মান্দায় সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেন আলমগীর হোসেন প্রামানিক       মান্দার তেঁতুলিয়ায় বিএনপির নির্বাচনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত       চুয়াডাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে মাংস বেশী খাওয়া নিয়ে মারামারি, আহত ৩       মান্দায় আত্মহত্যা    


নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার, এসইটিভি নিউজ: নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলাধীন মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের সীমাহীন দুর্নীতি, অর্থ আত্নসাৎ, ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে বারবার কলেজের শিক্ষক কর্মচারীরা অভিযোগ তুলেছে। ১৬/০৯/২০ ইং তারিখে কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সভাপতি ও মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ, নন্দীগ্রাম বগুড়া বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে তারা বলেন, মো: সিরাজুল ইসলাম ২০০৬ সালে কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত হয়ে এ যাবত প্রর্যন্ত কলেজের পুকুর ও জমি পত্তনীর টাকা এবং জাতীয়করণের নামে শিক্ষকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলে আত্নসাৎ করেন।

কলেজের গ্রন্থাগারিক হতে বিভিন্ন মূল্যবান বই তিনি প্রধান গন্থাগারিকের সহযোগিতায় বিক্রি করেন। অধ্যক্ষ মো: সিরাজুল ইসলাম একক নামে কলেজের একাউন্ট খুলে সেই একাউন্টে কলেজের টাকা পয়সা জমা রেখে গভর্নিং বডির অনুমতি ব্যতিরেকে পরে বিভিন্ন ভুয়া বিল ভাউচার সংযোজন করে টাকা তুলে আত্নসাৎ করেন।

তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে উপাধ্যক্ষ নিয়োগ প্রদান করেন, যা পরবর্তীতে মাউশির তদন্ত প্রতিবেদনে উপাধ্যক্ষ নিয়োগে অবৈধ ঘোষনা করা হয়। নম্বর বিহীন ও ভুয়া রশিদ সংযোজন করে অধ্যক্ষ বিভিন্ন সময় কলেজের টাকা তুলে আত্নসাৎ করেন। গভর্নিং বডির অনুমতি ছারাই কলেজের এফডিআর ভেঙ্গে অধ্যক্ষ অর্থ আত্নসাৎ করেন। নির্বাচন ছারাই শিক্ষকের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে অধ্যক্ষ গভর্নিং বডিতে বিদ্যুৎসাহী ও অভিভাবক সদস্য হিসেবে আত্নীয়দের মনোনীত করেন। ইংরেজী বিভাগের শিক্ষক মো: ফজলুল করিমের নিয়োগে একই অধিবেশন দুইজনই সভাপতি অনুমদন করেন। যা এমপিও নীতিমালা বর্হির্ভূত।

অধ্যক্ষ এসব করেছেন ফজলুল করিম দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যকডেটে নিয়োগ দেয়ার জন্য। এই ফজলুল করিম ও জীব বিজ্ঞানের প্রভাষক মো: রুহুল কুদ্দুস ২০১৫ সাল থেকে আজ প্রর্যন্ত কলেজের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষায় থাকলেও ১০১৬ সাল থেকে আজ অবধি কলেজে কোন নিরীক্ষা প্রতিবেদন জমা দেননি। যা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও নীতিমালা ও জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা বিধি পরিপন্থী। ফজলুল করিম গভর্নিং বিভিন্ন রেজুলেশনে বিভিন্ন ধরনের স্বাকর করে অধ্যাক্ষকে দুর্নীতি করতে সাহায্য করেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ সমূহে গভর্নিং বডি সংশোধিত সংবিধানের ১৪ এর গ ধারা লংঘন করে মো: মোবারক আলীকে গভর্নিং বডির সভায় অংশগ্রহনের সুযোগ দেন। এছাড়াও নবনির্মিত আইসিটি ভবনে মাণ্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের মালামাল বুজিয়া না নিয়ে ছাড়পত্র ও প্রদর্শক কে কলেজের প্রকৃত ল্যাপটপ ও কম্পিউটার বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি শিফা নুসরাতের সাথে কথা বললে তিনি এই প্রতিনিধি কে জানান, কলেজের দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এসইটিভি নিউজ/মামুন


Top