২৮শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ || ১৪ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ


শিরোনাম :
  ধামরাই‌য়ে মা‌লিকানা সম্প‌ত্তি জা‌লিয়া‌তির প্রতিবা‌দে সংবাদ স‌ম্মেলন       বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে পুনাকের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ       নন্দীগ্রামে ৯টি ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতার       নন্দীগ্রামে ১৫৬ পরিবার জমি ও গৃহ পেলেন       নন্দীগ্রামে নালিশী সম্পত্তিতে সংঘর্ষ এড়াতে আদালতের স্থিতি অবস্থা জারি       জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অনুষ্ঠানে এবছর নিমন্ত্রণ পাননি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নায়িকা ববিতা।       কালিয়াকৈরে অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে উৎসর্গ ফাউন্ডেশন এর শীতবস্ত্র বিতরণ       নৌকা মার্কা ছাড়া নন্দীগ্রামে মানুষের উন্নয়ন সম্ভব নয়       নন্দীগ্রামে মেয়র প্রার্থী শান্ত’র ব্যাপক গণসংযোগ       ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হলেন ফরিদুল হক    


নন্দীগ্রাম পুরাতন বাজারে সরকারি জায়গা দখল করে পাকা ঘড় নির্মান

স্টাফ রিপোর্টার, এসইটিভি নিউজ:

বগুড়ার নন্দীগ্রাম পুরাতন বাজারে সরকারি জায়গা দখল করে পাকা ঘড় নির্মান করার অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ২০০৭ সালে সরকারি জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে নন্দীগ্রাম পুরাতন বাজারে সরকারি জায়গায় প্রায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে দেয়া হয়। এরপর দোকান মালিক গন দোকান ঘড়ের জায়গা না পেয়ে বেকার হয়ে পরে। তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুর রাজ্জাক মানবিক বিষয় বিবেচনা করে নন্দীগ্রাম পুরাতন বাজারের দোকান মালিকদের পুনর্বাসন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। শর্তসাপেক্ষে দোকান মালিকদের অস্থায়ীভাবে দোকান ঘড় করার জন্য পজিশন বরাদ্দ করে। যা কখনো বিক্রয়-হস্তান্তর বা রকম পরিবর্তন করা যাবে না। এমন শর্তে দোকান মালিকরা দোকান ঘড় করার জন্য পজিশন নেয়। নন্দীগ্রাম পুরাতন বাজারের হোটেল মালিক আবুল কালাম সহ বেশ কিছু ব্যক্তি হোটেল ব্যবসা করার জন্য পজিশন পায় এবং তারা টিনশেট ঘড় স্থাপন করে হোটেল ব্যবসা সহ অন্যান্য ব্যাবসা শুরু করে। এমতাবস্থায় নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে কালাম তার ঘড় অন্যের নিকট মোটা অংকের টাকা নিয়ে বিক্রয় করে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘড়টি ক্রয় করার পর পাকা করা হয়েছে। এই ঘড় ছাড়াও আরো বেশ কিছুু ঘড় সরকারি অনুমতি না নিয়েই আধা পাকা করে দোকান ঘড় নির্মান করে ব্যাবসা করে আসছে। বর্তমানে অন্যান্য ঘড় মালিক গনও তাদের ঘড় গুলি পাকা করার জন্য উদ্দ্যেগ গ্রহন করেছে বলে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি জানিয়েছেন। এভাবে পাকা ঘড় তৈরী করা অব্যাহত থাকলে সরকারি জায়গা বেদখল হয়ে যাবে, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: শারমিন আখতারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, সরকারি জায়গার উপর পাকা ঘড় নির্মান করলে তাদের বিরুদ্ধে আইন গত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

এসইটিভি নিউজ/মামুন


Top