৩০শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ || ১৫ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ


শিরোনাম :
  নন্দীগ্রামে জাতীয় পার্টির দোয়া ও খাবার বিতরণ       নন্দীগ্রামে ওএমএস’র চাল ও আটা বিক্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন       নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসামগ্রী প্রদান করলেন এমপি মোশারফ হোসেন       কুন্দারহাট হাইওয়ে থানার নয়া ওসি আনোয়ারুল       দুই কিশোরীকে পাচার ঠেকালো লকডাউন, গ্রেফতার ১       নন্দীগ্রামে জাতীয় পার্টির তিনদিনের শোক কর্মসূচী       নন্দীগ্রামে বজ্রপাতে পিতাপুত্রের মৃত্যু       ইন্টারভিউ ছাড়াই নেয়া হচ্ছে ৮ হাজার নার্স-চিকিৎসক       দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৪৭ মৃত্যু, শনাক্তেও নতুন রেকর্ড       নন্দীগ্রামের সিংড়াখালাশ মসজিদ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন    


নন্দীগ্রামে আউশ চাষে আগ্রহ হারিয়েছে কৃষক

ফজলুর রহমান এসইটিভি নিউজ:

বগুড়ার নন্দীগ্রামে কৃষকরা আউশ চাষে আগ্রহ হারিয়েছে। আশানুরুপ ফলন না হওয়ায় এবং আউশ ধানে অতিরিক্ত পোকার আক্রমন হওয়ায় গত বছরের তুলনায় এবছর আউশ চাষ কম হয়েছে। গত বর্ষা মৌসুমে নন্দীগ্রাম উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৫টি ইউনিয়নের কৃষকরা আউশ চাষে আগ্রহী ছিল কিন্ত এখন লক্ষ করলে দেখা যাচ্ছে যে গত বছরের তুলনায় এ বছর আউশ চাষ অনেকটা কম হয়েছে । নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, গত বছর আউশ চাষ করা হয়েছিল ১৩ হাজার ৫০ হেক্টর, অথচ চলতি মৌসুমে আউশ চাষ করা হয়েছে ১২ হাজার ১১০ হেক্টর। দেখতে গেলে গত বছরের তুলনায় এবছর কম চাষ করা হয়েছে। সরকার আউশ চাষে উদ্বুদ্ধ করার জন্য নন্দীগ্রাম উপজেলা ও পৌরসভায় ২ হাজার ৩শ জন কৃষকদের মাঝে প্রনোদণা হিসেবে বিনা মূল্যে এমওপি ১০ কেজি, ডিএপি ২০ কেজি ও বীজ ৫ কেজি করে প্রদান করা হয়। কিন্ত কৃষকদের নানাবিধ সমস্যার কারনে এবছরে আউশ চাষ কম হয়েছে। চারা ফেলানোর সময় বৃষ্টির অভাবে প্রয়োজনীয় চারা ফেলতে পারেনি কৃষক । ধান রোপনের সময় পানির সরবরাহ ঠিকমত না থাকায় পানির অভাব দেখা দিয়েছিল। যার কারনে তারা সময় মত জমিতে হাল চাষ করতে পারেনি ফলে চারা রোপনের সময় পেরিয়ে যাওয়ায় আগ্রহ হারায় কৃষক। বর্তমানে পানি না হওয়ার কারনে অনেকের জমির আউশ ধানে কিটনাশক প্রয়োগ করতে পারছেনা, এবং শ্রমিক সংকটের কারনে তারা সময় মত ধান নিড়ানী ও দিতে পারছেনা ফলে এবছর আউশ ধানের ফলন সবচাইতে কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রোগ বালাইয়ের কারনে ধানের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। রিধইল গ্রামের সলেমান আলি, কৃষক নুর আলম, জয়নাল আবেদিন, আব্দুল আলিম, সাইফুল, ও হাবিবুর রহমান জানান বর্ষা মৌসুমে আউশ ধানের ফলন ভালো না হওয়ার কারনে আমরা অনেকেই আউশ ধান লাগানোর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি। কিছু কিছু কৃষক অভিযোগ তোলেন সরকারি ভূর্তকি মূল্যের সার আমাদের ভাগ্যে জটেনি, খুচরা ব্যাবসায়ীর নিকট থেকে অধিক মুল্যে সার ক্রয় করে জমিতে দিতে হয়। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার আদনান বাবুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বগুড়া জেলার মধ্যে নন্দীগ্রামে সবচাইতে বেশি আউশ চাষ করা হয়েছে।

এসইটিভি নিউজ/ এস,কে,মোহন্ত 


Top